নিউজ ডেস্ক | BangaAkhbar.in
উত্তেজনার আবহে ‘ভারত বনাম পাকিস্তান’ সামরিক শক্তির মাপকাঠি
বর্তমানে আন্তর্জাতিক রাজনীতির জটিল প্রেক্ষাপটে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক শক্তির তুলনামূলক বিশ্লেষণ একান্ত প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। কাশ্মীর ইস্যু, সীমান্ত সংঘর্ষ এবং কূটনৈতিক চাপের মাঝে দুই দেশের সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে জনগণের কৌতূহল বাড়ছেই। সামরিক দিক থেকে শক্তিশালী হওয়ার প্রয়াসে এই দুটি দেশ বারবার তাদের প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা বাজেট ও আন্তর্জাতিক মিত্রতাকে নতুন করে ঢেলে সাজাচ্ছে।
এই প্রতিবেদনে ২০২৫ সালের হালনাগাদ তথ্যের ভিত্তিতে দুই দেশের সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী, নৌবাহিনী, পারমাণবিক শক্তি, প্রতিরক্ষা বাজেট, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের তুলনামূলক বিশ্লেষণ তুলে ধরা হলো।
সামরিক বাজেট ও সদস্য সংখ্যা
ভারতের সামরিক খরচ ২০২৪ সালে প্রায় $৮৬.১ বিলিয়ন ছিল, যা বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম। পাকিস্তানের একই বছরের সামরিক খরচ ছিল মাত্র $১০.২ বিলিয়ন, ভারতীয় ব্যয়কে প্রায় ৯ গুণ ছাপিয়েছে। ২০২৫–২৬ সালের জন্য ভারত $৮১ বিলিয়ন (প্রায় ₹৬.৮১ লক্ষ কোটি) বাজেট অনুমোদিত করেছে, যেখানে পাকিস্তান প্রস্তাব করেছে প্রায় $৮.১৯ বিলিয়ন (₹২.২৮১ ট্রিলিয়ন)। অর্থাৎ, পরিসংখ্যান ও জিডিপির শতকে ভারত উল্লেখযোগ্য উচ্চ।
সশস্ত্র বাহিনীর জনসংখ্যার ক্ষেত্রেও ভারতে সংখ্যাগত সুবিধা: সক্রিয় কর্মী হিসেবে ভারতের সেনাবাহিনী ১,৪৭০,০০০ সদস্যের, যেখানে পাকিস্তান ৬৬০,০০০। নৌবাহিনীতে ভারতীয় কর্মী ~৭৫,৫০০, পাকিস্তানি ~৩০,০০০; বিমানবাহিনীতে ভারত ~১৪৯,৯০০, পাকিস্তান ~৭০,০০০। পরবর্তী প্রতিবন্ধকতায় ভারতীয় সেনা-মর্যাদা অত্যন্ত বড়।
বিষয় | ভারত | পাকিস্তান |
---|---|---|
সামরিক ব্যয় (২০২৪) | $86.1 বিলিয়ন | $10.2 বিলিয়ন |
বাজেট (২০২৫-২৬) | $81 বিলিয়ন | $8.19 বিলিয়ন |
সক্রিয় সেনা | 1,470,000 | 660,000 |
এই তুলনামূলক বিশ্লেষণে স্পষ্ট যে সামগ্রিক বাজেট ও কর্মী সংখ্যায় ভারত সামরিকভাবে বেশ এগিয়ে। তবে পাকিস্তানের সীমিত বাজেটের পরিপ্রেক্ষিতেও উচ্চ শতাংশ অর্থ সৈন্যবাহিনীর পেনশন ও চলন ব্যয়ে চলে এবং আধুনিকায়নে সীমাবদ্ধতা রয়েছেstimson.orgjanes.com।
পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা
উভয় দেশই পারমাণবিক শক্তিধর। পারমাণবিক যুদ্ধাস্ত্র সংখ্যা অনুযায়ী SIPRI-র তথ্যে ভারতের গর্জনায় প্রায় ১৭২টি বিবর্ধিত যুদ্ধাস্ত্র রয়েছে, পাকিস্তানের প্রায় ১৭০টি। অর্থাৎ সংখ্যা প্রায় সমান।
ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষেত্রে ভারত এর পরিসীমায় এগিয়ে। ভারতের অগ্নি-ভ্যাট সিরিজের মাধ্যমে ইন্টারকনটিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল (ICBM) ৫,০০০+ কিমি পরিসীমা অর্জন করেছে। পাকিস্তানের সর্বোচ্চ পরিসীমার ক্ষেপণাস্ত্র Shaheen-III, যা ২,৭৫০ কিমি পর্যন্ত আঘাত করতে সক্ষম। এছাড়া পাকিস্তানের Babur ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র (৩৫০+ কিমি) ও Ghauri, Shaheen-1/2 (মাঝারি পরিসীমা) রয়েছে।
বিষয় | ভারত | পাকিস্তান |
---|---|---|
পারমাণবিক যুদ্ধাস্ত্র | ~১৭২ ইউনিট | ~১৭০ ইউনিট |
সর্বোচ্চ ক্ষেপণাস্ত্র পরিসীমা | Agni-V: >5,000 কিমি | Shaheen-III: ~2,750 কিমি |
এই বিভাগে ভারত আধুনিক ICBM দিয়ে শক্তিশালী অবস্থান গড়ে তুলেছে, যেখানে পাকিস্তান মাঝারি-দূরপাল্লার ক্ষমতায় সীমাবদ্ধ। তবে দু’দেশই গোপন বা আরও উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নে মনোযোগী।
বিমান বাহিনী
বিমান বাহিনীতে ভারত সংখ্যাগরিষ্ঠ। IISS-র হিসেব অনুযায়ী ভারতীয় বিমান বাহিনীতে ৭৩০টি কার্যকর যুদ্ধবিমান রয়েছে, যা রয়েছে রাফেল, SU-30MKI, মিরাজ-২০০০, জাগুয়ার প্রভৃতি। পাকিস্তানের বিমান বাহিনীতে ৪৫২টি যুদ্ধবিমান আছে (জেএফ-১৭, F-16, মিরাজ).
AWACS/AEW&C প্ল্যাটফর্মের দিকেও পাকিস্তানের প্রাচীর বেশি আছে। পাকিস্তান নয়টি Saab-2000 Erieye AWACS পরিচালনা করেmoneycontrol.com। ভারতীয় বিমান বাহিনীতে ছয়টি AWACS আছে (৩টি রাশিয়ার A-50I এবং ৩টি এমব্রেয়ার AEW&C)opindia.com। অর্থাৎ পরিমাপে পাকিস্তান সামান্য এগিয়ে হলেও গুণগত পার্থক্যে ভারতিতেও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা আছে। ড্রোন/বিমানযান (উদাহরণ: ভারতীয় হেরন, পাখির চোখ, পাকিস্তানের CH-4) সাম্ভাব্য নজরদারি ও আক্রমণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।
- যুদ্ধবিমান: ভারত ~৭৩০, পাকিস্তান ~৪৫২।
- AWACS: ভারত ৬টি, পাকিস্তান ৯টি।
- উন্নয়ন: ভারত নিজস্ব ড্রোন নির্মাণ ও কেনার পাশাপাশি রাশিয়া-ইসরায়েলের সহায়তায় PHALCON AWACS চালু করেছে। পাকিস্তান চীনা সহযোগীতায় উড়োজাহাজ ও ড্রোন বৃদ্ধি করছে।
উভয় পক্ষেই বিমান বাহিনীকে আধুনিকায়নে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। ভারত ইসরায়েলি, রাশিয়া ও ফ্রান্স থেকে সাঁজোয়ারি সংগ্রহ করছে, পাকিস্তান চায়না জে-৩৫ (FC-31) স্টেলথ বিমানের দিকে নজর দিচ্ছে।
স্থলবাহিনী
সেনা ও সাঁজোয়া বাহিনীতে ভারত আরেকবার এগিয়ে। IISS তথ্য অনুযায়ী ভারতের কাছে প্রধান ট্যাঙ্ক ৩,৭৪০টি এবং আর্টিলারি ইউনিট ৯,৭৪৩ টি যেখানে পাকিস্তানের রয়েছে ট্যাঙ্ক ২,৫৩৭টি এবং আর্টিলারি ৪,৬১৯টি। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে রয়েছে উন্নত T-90, Arjun ট্যাঙ্ক, সাঁজোয়া যান; পাকিস্তান চালু করেছে আল-খালিদ ট্যাঙ্ক ও চীনা BMP-1/2।
বিষয় | ভারত | পাকিস্তান |
---|---|---|
প্রধান ট্যাঙ্ক | 3,740 | 2,537 |
আর্টিলারি ইউনিট | 9,743 | 4,619 |
বর্মযান/ব্রিজড | আধুনিক IFV, উন্নয়নাধীন Tejas BMP (অর্জবাজি) | চীনা IFV (ZSD-89 ইত্যাদি) |
স্থলবাহিনীতে সংখ্যায় ভারতের বড় সুবিধা থাকলেও ভূ-সীমান্ত রণকৌশলে পাকিস্তানকে হালকা-সারি (গণতান্ত্রিক অংশ, গুরিলা যুদ্ধ ইত্যাদি) সমর্থন অর্জন আছে। যুদ্ধের সম্মুখভাগে দুই দেশের ট্যাংক ও সামরিক গতি-গতির লড়াই হবে।
নৌবাহিনী

ভারতের নৌবাহিনী ক্ষমতাতেও পাকিস্তানকে ছাপিয়ে গেছে। ভারতীয় নৌবাহিনীতে বর্তমানে ২টি বিমানবাহী রণতরী (INS বিক্রমাদিত্য ও নিজের নির্মিত INS বিক্রান্ত) রয়েছে; পাকিস্তানের নৌবাহিনীতে কোনো এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার নেই। ভারত ১১টি ধ্বংসকারী জাহাজ এবং ১৬টি ফ্রিগেট পরিচালনা করে, পাকিস্তানে যথাক্রমে ০ ধ্বংসকারী ও ১০টি ফ্রিগেট আছে। অনুসন্ধান ও কোস্ট গার্ডের ক্ষেত্রে ভারত ১৬০টি সহকারী জাহাজ চালায়, পাকিস্তান ২১টি। সাবমেরিন বহরে ভারত ১৬টি (নিউক্লিয়ার ও কনভেনশনাল মিলিয়ন) আছে, পাকিস্তান ৮টি (Agosta, দাক্ষিণ) চালায়।
নৌ বিভাগে তালিকাভুক্ত কমপারিজন:
- বিমানবাহী রণতরী: ভারত 2, পাকিস্তান 0।
- ধ্বংসকারী: ভারত 11, পাকিস্তান 0।
- ফ্রিগেট: ভারত 16, পাকিস্তান 10।
- সাবমেরিন: ভারত 16, পাকিস্তান 8।
নজরদারি ও মেরিন সুরক্ষায় ভারতের সাইবার ও স্যাটেলাইট ক্ষমতা উন্নত। এছাড়া P-8 পোসেইডন ম্যারিটাইম প্রহরী জাহাজ, যুগান্তকারী মহড়া ভারতের কার্যকরী কৌশলগত প্রাধান্য বাড়িয়েছে। পাকিস্তান সামরিক সহযোগিতায় চীন ও তুরস্কের কাছ থেকে সহায়তা নিলেও সমুদ্র ক্ষমতায় সীমিত।
গবেষণা ও প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতা
ভারত সামরিক প্রযুক্তিতে আত্মনির্ভরতার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। মোদি সরকার অধিকাংশ সামরিক ক্রয়ের ৭৫% দেশীয় সংস্থার কাছ থেকে করার উদ্যোগ নিয়েছেstimson.org। DRDO-র অধীনে লড়াকু বিমান Tejas, আধুনিক ট্যাংক Arjun, INS বিক্রান্তের মতো প্রকল্পগুলো পুরোদমে চলছে। ২০২৪-২৫ বাজেটে ইন্ডিজেনাইজেশনে বিশেষ লক্ষ্য রাখা হয়েছেstimson.org। ভারত চালিয়ে যাচ্ছে মহাকাশ ও সাইবার সামরিক গবেষণা।
পাকিস্তানও নিজস্ব র্যাকেট ও বিমানের যৌথ উন্নয়ন করছে (উদাহরণ: JF-17 লড়াকু বিমান, Babur ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র)। এরপরে চীন থেকে প্রযুক্তি সহায়তা পেয়ে কৌশলগত কাজ করছে। তবে পাকিস্তানের সামরিক শিল্পে বাংলাদেশ-চীন সহযোগী প্রকল্প ছাড়া উল্লেখযোগ্য আত্মনির্ভর ভিত্তি এখনও সীমিত।
- ভারত: DRDO এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে বিনিয়োগ বাড়ছেstimson.org, তথ্যপ্রযুক্তি ও মহাকাশ উদ্যোগ সহযোগী হিসেবে ব্যবহার।
- পাকিস্তান: চীনের মাধ্যমে সামরিক গবেষণা; নিজস্ব PNRA (পারমাণবিক গবেষণা সংস্থা) পারমাণবিক কর্মসূচি চালু। সামরিক জাহাজ ও রাফাইল প্ল্যাটফর্ম তৈরির উদ্যোগ আছে।
উভয় দেশেই উচ্চ প্রযুক্তির প্রতিযোগিতা চলছে, তবে পরিসংখ্যান ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ী ভারতীয় সামরিক বিজ্ঞান-গবেষণায় সামগ্রিক উন্নয়ন বেশি।
কূটনীতি ও আন্তর্জাতিক মিত্রতা
আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে দুদেশের সমীকরণ ভিন্ন। ভারত যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান-অস্ট্রেলিয়ার “কোয়াড” চুক্তি, রাশিয়া ও ফ্রান্সের সাথেও দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা সম্পর্ক বজায় রেখেছে। বিদেশ প্রতিমন্ত্রী জাইশঙ্কর সম্পর্কিত পরামর্শে ভারত-রাশিয়া সম্পর্ককে “বিশ্ব রাজনীতির এক অবিচল সম্পর্ক” উল্লেখ করেনthemoscowtimes.com। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশও ভারতকে নিরাপত্তা সহযোগিতায় সম্মুখ সারিতে রাখছে। পাকিস্তান প্রাধানভাবে চীনের ঘন কৌশলগত মিত্র। পাকিস্তান-চীন অর্থনৈতিক করিডোর (CPEC) ও সামরিক সহযোগিতা পরিসরে দুই দেশের সমঝোতা দৃঢ়।
- ভারত: যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া (কোয়াড) ও রাশিয়ার সাথে ঘন প্রতিরক্ষা চুক্তি; সহযোগী মহড়া ও সামরিক অস্ত্র আমদানি।
- পাকিস্তান: চীন ও তুরস্কের সহায়তায় সামরিক প্রযুক্তি কেনাকাটা; মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক সমর্থন; এবং ঐতিহাসিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সামরিক সহযোগিতা।
এই বিবেচনায় ভারত বহুপাক্ষিক অংশীদারিত্বে শক্তিশালী অবস্থায়, পাকিস্তান নির্দিষ্ট জোটে বেশি নির্ভরশীল।
জনমত ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা
ভারতীয় জনমতে সাম্প্রতিক সংঘাতের সময়ে দেশের সামরিক ও নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন দৃঢ়। স্বাধীন গণতন্ত্র ও শক্তিশালী অর্থনীতির কারণে সামগ্রিক স্থিতিশীলতা রয়েছে। পাকিস্তানে সাংবিধানিক অনিশ্চয়তা, অর্থনৈতিক সংকট ও সামরিক আধিপত্য নিয়ে চ্যালেঞ্জ দেখা দেয়। সামরিক বাহিনীর প্রতি জনমত পার্থক্য থাকলেও উভয়েরই সামরিক শক্তি নিয়ে জাতি গর্ববোধ পোষণ করে। তবে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক দুরবস্থার মধ্যে পাকিস্তানের সামরিক প্রস্তুতিতে প্রভাব পড়তে পারে।
- ভারত: আপৎকালীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে জনমতে আত্মবিশ্বাস; নির্বাচন-নিরপেক্ষ সরকার অটল।
- পাকিস্তান: রাজনৈতিক সংকট (নির্বাচন, অর্থনৈতিক মন্দা) নিয়ন্ত্রণে সেনা প্রভাব বেড়ে গেছে; জনমতে দ্বন্দ্ব ও উদ্বেগ আছে।
এখানে সরাসরি পরিসংখ্যান বিরল, তবে সামগ্রিকভাবে ভারতীয় জনগণ সামরিক উদ্যোগে অধিক সমর্থক; পাকিস্তানে বিতর্ক ও বিকেন্দ্রীকরণ বেশি।
উপসংহার: সামরিক প্রাধান্য কার?
উপরোক্ত তথ্য ও পরিসংখ্যান থেকে পরিষ্কার যে ভারত সামরিক দিক দিয়ে সামগ্রিকভাবে এগিয়ে। ভারতের সামরিক ব্যয় ও বাহিনীর আকার পাকিস্তানের চেয়ে বহুগুণ বেশি। প্রধান যুদ্ধাস্ত্র ও বাহিনী উপাদানে ভারত বড় সুবিধা রাখে। ভারতে অর্থনৈতিক মজবুতিও আধুনিকায়নে পটভূমি জোগায়। পাকিস্তান তুলনায় ক্ষুদ্র বাজেট, সংকটাপন্ন অর্থনীতি ও সীমিত আধুনিকায়নের মধ্যেও চীনা সহযোগিতায় উন্নতি করছে। তবে, উভয় দেশই পারমাণবিক অস্ত্রাধারী এবং ভূ-রাজনৈতিক তীব্রতায় রয়েছে, তাই বিস্তৃত যুদ্ধ পরিস্থিতি এখনও ঝুঁকিপূর্ণ।
সংক্ষেপে বলা যায়, ভারত সামরিক পরিসরে সামান্য এগিয়ে থাকলেও, প্রতিপক্ষের আঞ্চলিক মেজাজ এবং পারমাণবিক সামর্থ্যের কারণে গতি-প্রকৃতি অনিশ্চিত। বিশেষজ্ঞদের মতে সামরিক খাতে ভারতের সামগ্রিক প্রাধান্য উচ্চ।
উৎস: সামরিক বাজেট, বাহিনী ও শস্ত্র সামর্থ্য সংক্রান্ত তথ্য IISS, SIPRI, জনসংখ্যা-ভিত্তিক গবেষণা ও সামরিক বিশ্লেষণ থেকে নেওয়া।
🌐 আরও পড়ুন @ https://bangaakhbar.in/