নিউজ ডেস্ক | BangaAkhbar.in
ভারতীয় উপমহাদেশে প্রতি বছর বহু মানুষ সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়। বেশিরভাগ সাপ বিষহীন হলেও কিছু বিষাক্ত সাপের কামড় মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনতে পারে। তাই বিষাক্ত সাপগুলোর পরিচয় ও সাপে কাটলে সাপে কাটলে কি করণীয়, প্রাথমিক চিকিৎসা নিতে হবে, সে সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ভয় নয়, সচেতনতা জরুরি
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তথ্য অনুযায়ী,
👉 প্রতি বছর ভারতে আনুমানিক ৩০–৪০ লক্ষ মানুষ সাপে কামড়ে আক্রান্ত হন।
👉 এদের মধ্যে প্রায় ৫০,০০০ জনের মৃত্যু ঘটে, যা বিশ্বব্যাপী সাপে কাটার মৃত্যুর প্রায় ৫০%।
👉মৃত্যুহার: ১.২৫% থেকে ১.৬৭%। অর্থাৎ, প্রতি ১০০০ জন আক্রান্তের মধ্যে প্রায় ১২–১৭ জনের মৃত্যু ঘটে। এই সংখ্যাগুলোও অনেক ক্ষেত্রেই কম দেখানো হয় কারণ অনেক রোগী হাসপাতাল বা ক্লিনিকে না গিয়ে গ্রাম্য চিকিৎসা বা ঝাড়ফুঁকে ভরসা করেন। ফলে প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। তবে এদের মধ্যে অনেকের মৃত্যু ঘটে সাপের কামড়জনিত ভীতির কারণে
আমাদের জেনে রাখা উচিত বিশ্বের প্রায় ৮৫% সাপের প্রজাতি বিষহীন। তাই অধিকাংশ সাপের কামড়ে সেরকম কিছু ক্ষতি হয় না, তবে বাকি ১৫% সাপের দংশনে বিষ স্নায়ু বা রক্তপ্রবাহে প্রভাব ফেলে, ফলে দ্রুত চিকিৎসা না নিলে মৃত্যুঝুঁকি তৈরি হয়। তাই সাপের প্রকারভেদ ও আচরণ বুঝে ভয় না করে সময় মতো পদক্ষেপ নিলে জীবন বাঁচানো যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাপের দংশনে অনেক সময় অত্যাধিক ভীতি মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
“সাপের কামড়ে তৈরী হয় এক ভীতিকর মানসিক প্রতিক্রিয়া—যেমন ভ্যাসোভ্যাগাল শক বা কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট—যার কারণে অনেকেই মারা যান।”
— WHO Snakebite Roadmap, 2019সাপে কামড়ালে ভয় থেকে শরীরে দেখা দেয় নানা স্নায়বিক প্রতিক্রিয়া যেমন:
- হৃদস্পন্দন দ্রুত বেড়ে যায় (Tachycardia)
- রক্তচাপ হঠাৎ কমে যায় (Hypotension)
- শ্বাসপ্রশ্বাস এলোমেলো হয় (Hyperventilation)
- অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে (Vasovagal syncope)
- হৃদযন্ত্র থেমে যেতে পারে (Sudden Cardiac Arrest)
এগুলো অনেক সময় Dry Bite বা বিষহীন সাপের কামড়েও ঘটে । অর্থাৎ বিষ নয়, আতঙ্কই মৃত্যু ডেকে আনে।
বিষাক্ত সাপের কামড়ের লক্ষণ:
- দুটি দাঁতের দাগ (fang marks):
শুধু দুটি গভীর দাঁতের ছিদ্র (fang puncture marks) দেখা গেলে সাধারণত এটি বিষাক্ত সাপের কামড়।
⛔ কিন্তু সবসময় নয়—গভীর কামড় মানেই বিষ নয়। - তীব্র ব্যথা ও ফোলা:
বিষাক্ত সাপের কামড়ে কয়েক মিনিটের মধ্যে ফোলা ও ব্যথা শুরু হয়। - রক্তপাত বা কালচে হয়ে যাওয়া:
হেমোটক্সিক বিষে চামড়া ফেটে রক্তপাত বা নীলচে দাগ পড়তে দেখা যায়।

সাপে কাটলে করণীয় প্রাথমিক চিকিৎসা 🚑
করণীয় (Dos) ✅
- রোগীকে চুপচাপ ও স্থির রাখুন
- আক্রান্ত অঙ্গ নিচু করে রাখুন
- ক্ষতস্থান ধুয়ে ফেলুন (সাবান+জল)
- আলগা করে কাপড় বেঁধে দিন
- সাপের ছবি তুলুন (যদি সম্ভব হয়)
- হাসপাতালে দ্রুত পৌঁছান
যা করা যাবে না (Don’ts) ❌
- ক্ষত কাটা
- আগুন দিয়ে পোড়ানো
- মুখ দিয়ে বিষ চুষে ফেলা
- লোকজ ঝাড়ফুঁক
- টাইট টুর্নিকেট ব্যবহার
সাপে কাটলে কি করণীয় ও কি বর্জনীয় (Dos and Don’ts if bitten by a snake)

ভারতীয় উপমহাদেশে দেখা যায় এমন কয়েকটি বিষাক্ত সাপে কাটলে সাপে কাটলে কি করণীয়
সাপের বিষ মূলত তিন ধরনের হয়ে থাকে:
- নিউরোটক্সিক: স্নায়ুতন্ত্রে আক্রমণ করে (যেমন গোখরা, কালাচ)
- হেমোটক্সিক: রক্ত ও রক্তনালিতে প্রভাব ফেলে (যেমন চন্দ্রবোড়া)
- সাইটোটক্সিক: কোষ ও ত্বক ধ্বংস করে (যেমন হাম্পনোজড পিট ভাইপার)
তবে কিছু সাপ মিশ্র ধরনের বিষও বহন করে।
১. গোখরা (Indian Cobra – Naja naja)
- চিহ্ন: ফণা তোলে, ফণায় ‘হুদহুদ’ চিহ্ন থাকে।
- বিষের প্রকার: নিউরোটক্সিক (স্নায়ুতন্ত্রে প্রভাব ফেলে)।
- লক্ষণ: শ্বাসকষ্ট, চোখে ঝাপসা দেখা, পক্ষাঘাত।

গোখরা সাপে কাটলে কি করণীয়?
গোখরা (Indian Cobra) সাপের কামড় মারাত্মক হতে পারে, কারণ এর বিষ নিউরোটক্সিক, যা স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে। তাই কামড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে রোগীকে শান্ত ও স্থির রাখুন এবং আক্রান্ত অঙ্গটি হৃদয়ের নিচে রেখে স্প্লিন্ট ও ব্যান্ডেজ দিয়ে অস্থিরতা কমান। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করুন এবং এ সময়ের মধ্যে কোনোভাবেই টুর্নিকেট, বরফ, চুষে বিষ বের করা, কাটা বা হাঁটাচলা করতে দেবেন না। আংটি, ঘড়ি বা টাইট জামা খুলে ফেলুন, সাবান-জল দিয়ে হালকা ধুয়ে নিন, কিন্তু ঘষবেন না। খাবার বা পানি দেবেন না। শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে CPR-এর প্রস্তুতি নিন এবং কামড়ের সময়টি লিখে রাখুন। মনে রাখবেন, অনেকক্ষেত্রে মৃত্যুর কারণ বিষ নয়, আতঙ্ক; তাই সচেতন থাকুন, দেরি না করে অ্যান্টিভেনম দেওয়া যায় এমন হাসপাতালে রোগীকে পৌঁছে দিন।
২. চন্দ্রবোড়া (Russell’s Viper – Daboia russelii)
- চিহ্ন: শরীরে ত্রিকোণ বা গোল দাগ থাকে।
- বিষের প্রকার: হেমোটক্সিক (রক্তে প্রভাব ফেলে)।
- লক্ষণ: রক্তক্ষরণ, ফুলে যাওয়া, কিডনি বিকল।

চন্দ্রবোড়া সাপে কাটলে কি করণীয়?
চন্দ্রবোড়ার কামড় রক্তনালির ক্ষতি করে এবং রক্তজমাট বাঁধার স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে, ফলে অভ্যন্তরীণ রক্তপাত, কিডনি বিকল হওয়া এবং মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। কামড়ের পরপরই রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করুন। যতক্ষণ না চিকিৎসা পাওয়া যাচ্ছে, রোগীকে শান্ত রাখুন এবং কামড়ের স্থানটি নাড়াচড়া যেন না করে তা নিশ্চিত করুন—অর্থাৎ অঙ্গটি হৃদয়ের নিচে রেখে স্প্লিন্ট ও ব্যান্ডেজ ব্যবহার করুন। ফোলা প্রতিরোধে কামড়ের আশেপাশে থাকা আংটি, ঘড়ি বা আঁটসাঁট পোশাক খুলে ফেলুন। ক্ষতস্থানে হালকা করে সাবান ও পানি দিয়ে ধুয়ে নিন, তবে জোরে ঘষবেন না।
একেবারেই করবেন না:
- টুর্নিকেট ব্যবহার
- বরফ প্রয়োগ
- ক্ষত কাটা বা বিষ চুষে বের করার চেষ্টা।
রোগীকে না হাঁটাতে দেওয়াই ভালো এবং কোনো খাবার বা পানীয়ও দেওয়া উচিত নয়। রোগীর অবস্থা নজরে রাখুন—যেমন রক্তপাত, অচেতনতা, ফুলে যাওয়া বা প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত পদক্ষেপ নিন। কামড়ের সময়টি লিখে রাখুন, কারণ চিকিৎসা পরিকল্পনায় তা জরুরি। মনে রাখবেন, চন্দ্রবোড়ার বিষ মারাত্মক হলেও অ্যান্টিভেনম ও সঠিক চিকিৎসা থাকলে জীবন বাঁচানো সম্ভব।
৩. কালাচ (Common Krait – Bungarus caeruleus)
- চিহ্ন: চকচকে কালো গায়ে পাতলা সাদা দাগ।
- বিষের প্রকার: নিউরোটক্সিক।
- লক্ষণ: ব্যথাহীন কামড়, পরে শ্বাসপ্রশ্বাসে জটিলতা, পক্ষাঘাত।

কমন ক্রাইট সাপে কাটলে কি করণীয়?
কমন ক্রাইট (Common Krait) সাপ সাধারণত রাতে কামড়ায় এবং এর বিষ নিউরোটক্সিক, যা প্রথমে ব্যথাহীন হলেও কয়েক ঘণ্টার মধ্যে শ্বাসকষ্ট, পক্ষাঘাত ও মৃত্যু ঘটাতে পারে। তাই কামড়ানোর পর রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। ততক্ষণ পর্যন্ত রোগীকে স্থির ও শান্ত রাখুন, কামড়ানো অঙ্গ হৃদয়ের নিচে রেখে স্প্লিন্ট ও ব্যান্ডেজ দিয়ে স্থির করুন। আংটি বা টাইট জামা খুলে দিন, হালকাভাবে সাবান-জল দিয়ে ধুয়ে নিন, ঘষবেন না। টুর্নিকেট, বরফ, কাটা বা বিষ চুষে বের করার চেষ্টা করবেন না। হাঁটতে দেবেন না, খেতে বা পান করতেও না। শ্বাসের সমস্যা, চোখ ঢুলু ঢুলু বা কথা আটকে যাওয়ার লক্ষণ দেখলে CPR-এর প্রস্তুতি নিন। কামড়ের সময় লিখে রাখুন ও দ্রুত অ্যান্টিভেনম দেওয়ার ব্যবস্থা করুন।
৪. দুধরাজ (Banded Krait – Bungarus fasciatus)
- চিহ্ন: কালো-হলুদ রঙের আঁকাবাঁকা ডোরা।
- বিষের প্রকার: নিউরোটক্সিক।
- লক্ষণ: দৃষ্টিশক্তি হ্রাস, শ্বাসকষ্ট।

কমন ক্রাইট সাপে কাটলে কি করণীয়?
ব্যান্ডেড ক্রাইট (Banded Krait) একটি বিষাক্ত সাপ, যার বিষ নিউরোটক্সিক এবং এটি স্নায়ুতন্ত্রকে ধীরে ধীরে পঙ্গু করে দিতে পারে। কামড় সাধারণত ব্যথাহীন হয়, তাই অবহেলা না করে কামড়ের পর রোগীকে তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসাপূর্বে রোগীকে শান্ত ও স্থির রাখুন; কামড়ানো অঙ্গটি হৃদয়ের নিচে রেখে স্প্লিন্ট ও ব্যান্ডেজ দিয়ে নাড়াচড়া রোধ করুন। আংটি বা আঁটসাঁট পোশাক খুলে দিন, ক্ষতস্থানে সাবান-জল দিয়ে ধুয়ে নিন কিন্তু ঘষবেন না। টুর্নিকেট, বরফ, কাটা বা বিষ চুষে বের করার চেষ্টা একেবারেই নয়। হাঁটাচলা, খাওয়া বা পান করতেও দেবেন না। স্নায়বিক লক্ষণ যেমন চোখ ঢুলু, কথা আটকে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে CPR-এর প্রস্তুতি নিন এবং কামড়ের সময় লিখে রাখুন। দ্রুত অ্যান্টিভেনম দেওয়াই জীবন বাঁচানোর প্রধান উপায়।
বিষাক্ত সাপের তালিকা ও বিষাক্ততার মাত্রা (Poisonous Snakes in Indian subcontinent)
সাপের নাম | বৈজ্ঞানিক নাম | বিষের ধরণ | বিষক্রিয়ার মাত্রা | চিহ্ন |
---|---|---|---|---|
গোখরা (Cobra) | Naja naja | নিউরোটক্সিক | উচ্চ | ফণা তোলে, ‘হুদহুদ’ চিহ্ন |
চন্দ্রবোড়া (Russell’s Viper) | Daboia russelii | হেমোটক্সিক | অত্যন্ত উচ্চ | ত্রিকোণ দাগ |
কালাচ (Common Krait) | Bungarus caeruleus | নিউরোটক্সিক | অতি উচ্চ | চকচকে কালো গায়ে পাতলা সাদা ডোরা |
দুধরাজ (Banded Krait) | Bungarus fasciatus | নিউরোটক্সিক | মাঝারি থেকে উচ্চ | কালো-হলুদ ডোরা |
শঙ্খিনী (Checkered Keelback – কিছু প্রজাতি) | Xenochrophis piscator | সাধারণত নিরীহ | কম | জলাচার এলাকায় |
Green Pit Viper (সবুজ বোড়া) | Trimeresurus spp. | হেমোটক্সিক + সাইটোটক্সিক | মাঝারি | সবুজ রঙের, মাথা ত্রিকোণ |
Hump-nosed Viper | Hypnale hypnale | সাইটোটক্সিক | মাঝারি থেকে উচ্চ | খাটো শরীর, নাক উঁচু |
King Cobra | Ophiophagus hannah | নিউরোটক্সিক | অত্যন্ত উচ্চ (প্রাণঘাতী) | দীর্ঘদেহী, বড় ফণা |
সচেতনতা একদিকে যেমন সাপের প্রকারভেদ ও বিষাক্ত সাপে কাটলে প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে সচেতন করতে পারে, তেমনি অপ্রয়োজনীয় আতঙ্ক থেকেও রক্ষা করে। সাপের কামড়ের পর এক মুহূর্ত দেরিও বিপজ্জনক হতে পারে, তাই গুজবে কান না দিয়ে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়াই একমাত্র বাঁচার উপায়।
সাপে কামড়ালে প্রথমে কী করা উচিত?
👉 বিষাক্ত সাপের কামড় চেনার উপায়:
দুটি গভীর fang-এর দাগ দেখা গেলে বিষাক্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি
তীব্র ব্যথা ও দ্রুত ফোলা শুরু হলে বিষক্রিয়ার সম্ভাবনা থাকে
শ্বাসকষ্ট, চোখে ঝাপসা, কথা আটকে যাওয়া, প্রস্রাব বন্ধ ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসা জরুরি
👉 এরপর কী করবেন:
রোগীকে চুপচাপ ও স্থির রাখুন
কামড়ানো অঙ্গটি হৃদয়ের নিচে রাখুন এবং স্প্লিন্ট ও ব্যান্ডেজ দিয়ে স্থির রাখুন
আংটি, ঘড়ি বা আঁটসাঁট জামা খুলে ফেলুন
ক্ষতস্থান সাবান-জল দিয়ে হালকা ধুয়ে নিন (ঘষবেন না)
রোগীকে হাঁটাচলা, খাওয়া বা কিছু পান করতে দেবেন না
দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছান এবং কামড়ের সময়টি লিখে রাখুন
মনে রাখবেন, অনেক সময় বিষ না ছড়ালেও বা Dry Bite হলেও ভয় ও আতঙ্ক থেকে মৃত্যু ঘটতে পারে (যেমন ভ্যাসোভ্যাগাল শক)। তাই আতঙ্ক নয়, দ্রুত সঠিক পদক্ষেপই জীবন বাঁচায়।
সাপে কামড়ালে প্রথমে কীভাবে বোঝা যাবে সাপটি বিষাক্ত কি না?
দুটি গভীর fang-এর দাগ থাকে (fang puncture)
২০-৩০ মিনিটের মধ্যে ব্যথা ও ফুলে ওঠে
রক্তক্ষরণ, গা ঝিমঝিম, শ্বাসকষ্ট, চোখে ঝাপসা দেখা দিতে পারে
পেশি দুর্বল হয়ে পড়া, কথা আটকে যাওয়া, প্রস্রাব বন্ধ হওয়া শুরু হয়
তবে কিছু সাপ যেমন কালাচ বা দুধরাজ, ব্যথা না দিয়েও মারাত্মক বিষ ছড়াতে পারে, তাই লক্ষণ না থাকলেও আতঙ্ক নয় — দ্রুত চিকিৎসা জরুরি।
বিষ না ছড়ালে কি বিপদ নেই?
সাপে কামড়ানোর পর আতঙ্কে মৃত্যুর সম্ভাবনা কতটা বাস্তব?
কামড়ানোর কত সময়ের মধ্যে চিকিৎসা শুরু করা উচিত?
অ্যান্টিভেনম সব হাসপাতালে মেলে কি?
🌐 দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ খবর, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প, পরীক্ষার আপডেট, স্কুল-কলেজ সংক্রান্ত তথ্যসহ নানা দরকারি আপডেট পেতে পড়ুন 👉 https://bangaakhbar.in